৩৩৩১ নম্বরে ফোন করলেই কৃষি সেবা

ই-কৃষির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 

দেশব্যাপী ই-কৃষি সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ডিজিটাল প্লাটফর্ম ‘কৃষি বাতায়ন’ এবং ‘কৃষক বন্ধু ফোন সেবা’র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ দু’টি সেবার উদ্বোধন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ​কৃষকের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সেবা তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে।

৩৩৩১ নম্বরে ফোন করে কৃষকরা কৃষি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কৃষি বিষয়ে সবরকম পরামর্শ পাবেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

দেশের ৮ হাজার ৪শ’ পোস্ট অফিসকে ডিজিটালাইজ করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সমগ্র বাংলাদেশে ইন্টারনেট সার্ভিস আছে। উপজেলা পর্যায়ে ডিজিটাল সেন্টার খোলা হয়েছে। প্রযুক্তি শিক্ষার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের গড়ে তুলতে চাই।

‘কৃষক বন্ধু ফোন সেবা’র উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা মাটিতে সোনা ফলায়, ফসল ফলায় সেই কৃষকদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি একটি পবিত্র কাজ। কৃষকের ছেলে শিক্ষা নিয়ে কৃষিকাজে যাবে না, এ মনোভাব যেন না থাকে। সরকার আইটি ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং জীবন-যাত্রাকে আরও সহজ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কৃষিকে আধুনিক পদ্ধতিতে যান্ত্রিকীকরণ করা হচ্ছে। ফলে কৃষির যে জ্ঞান তারা নিজের বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাবেন তাকে ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে পারবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষির ওপর নির্ভরশীল বিধায় জাতির পিতা স্বাধীনতার পরে কৃষিকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। ফলে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ উঠে দাঁড়িয়েছিল এবং প্রবৃদ্ধি ৭ ভাগ অর্জিত হয়েছিল।

ধীরে ধীরে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলাও জাতির পিতার একটা লক্ষ্য ছিল। কিন্তু ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত হওয়ায় জাতির পিতা তার এ পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ করে যেতে পারেননি এবং এরপরই দেশে হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্র এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের রাজনীতি শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে ৫টি জেলা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল এবং সারা দেশের ৬৪টি জেলার ৫৬০টি উপজেলাতেই এ ভিডিও কনফারেন্সটি প্রচারিত হয়।