হাটহাজারী মাদ্রাসায় পোড়ানো হলো ৫ শতাধিক মোবাইল!

গত সপ্তাহে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করা নিয়ে এক ছাত্রের সঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষকের হট্টগোল হয়। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষকরা। তাই মাদ্রাসা কতৃর্পক্ষের নির্দেশে ছাত্রদের কক্ষে চলে তল্লাশি নামক সাঁড়াশি অভিযান। জব্দ করা হয় প্রায় ৫ শতাধিক (২ বস্তা) অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট। পরে রাতে মাদ্রাসা কম্পাউন্ডের ভেতরে পেট্রল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয় জব্দকৃত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেটগুলো।

রোববার রাতে হেফাজত আমির আল্লামা শাহ্ আহমদ শফীর আল্ জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। নাম না প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী এ প্রতিবেদককে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে আবাসিক ছাত্রদের কক্ষের জিম্মাদার (প্রক্টর) হাটহাজারী মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি জসিম উদ্দিন মোবইল ফোনে ছাত্র-শিক্ষকের হট্টগোলের বিষয়টি অস্বীকার করে এ প্রতিবেদককে বলেন, মাদ্রাসার ছাত্রদের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেসব শিক্ষার্থী গোপনে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট ব্যবহার করে তাদের মোবাইল এভাবে জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। এটা মাদ্রাসার বহু দিনের রেওয়াজ।

এ ঘটনার পর সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনার ঝড় ওঠে। অনেকে মোবাইল সেট পোড়ানো নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে। এক ছাত্র ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন,

‘শোক সংবাদ…. দুই বস্তা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সৎকার সম্পন্ন। হাটহাজারী মাদরাসায় ছাত্রদের কাছ থেকে জব্দকৃত মোবাইল (প্রায় দুই বস্তা) পেট্রল ঢেলে আগুনের মাধ্যমে সৎকার করা হয়। মোবাইল কোম্পানিরা মেজবানের ব্যবস্থা করুন।’

সুত্র : যুগান্তর