হবিগঞ্জ পৌরসভার ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা

হবিগঞ্জ পৌরসভার ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ৭৮ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা করেছেন মেয়র জি কে গউছ। বৃহস্পতিবার (৭ জুন) দুপুরে হবিগঞ্জ পৌরভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বাজেট ঘোষনা করেন।

পৌর পরিষদের কাউন্সিলর, সাংবাদিকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও উপস্থিত সবাইকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে বাজেট বক্তব্যে মেয়র জি কে গউছ বলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৮১ সালে। যা আজ থেকে ১৩৭ বছর পূর্বে। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় পৌরসভাকে সমৃদ্ধ করতে অনেক গুনীজন শ্রম ও মেধা প্রদান করেছেন। আমি সেই সকল গুনীজনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, বিগত ২০০৪ সালে পৌরসভা নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এ পর্যন্ত পৌরসভার আমুল পরিবর্তন করে পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকান্ডে একটি নতুন ধারার সৃষ্টি করেছি। চেয়ারম্যান ও মেয়র হিসেবে আমি এ পৌরসভায় পরপর ৩ (তিন) বার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। এজন্য আমি হবিগঞ্জ পৌরবাসীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করছি।

মেয়র বলেন, শুরু থেকেই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল প্রকৃত অর্থে জনগনকে সেবা দেয়া। সে লক্ষ্যে আমি পৌর পরিষদের সদস্য ও পৌরবাসীর মতামতের প্রেক্ষিতে পৌরসভাকে ঢেলে সাজিয়েছি। যুগ যুগ ধরে গড়ে উঠা এ অপরিকল্পিত শহরে রাস্তাঘাট বড় করে শৃংঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ছিল সত্যিই কঠিন ও দুঃসাধ্য। কিন্তু এই দুঃসাধ্য কাজকে প্রশাসন, পৌরবাসী এবং আপনাদের সহযোগিতায় অনেকাংশে সাধ্যের মধ্যে নিয়ে এসেছি।

জি কে গউছ আরো বলেন, আমি হবিগঞ্জ পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিয়মিত কার্যক্রমের বাইরেও জনগনের কল্যাণে ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচী শুরু করেছি। এ ব্যতিক্রমী কর্মকান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা, হজ্ব প্রশিক্ষন, কর মেলা, বৈশাখী মেলা, বই মেলা, সুন্নতে খতনা, গনবিবাহ, বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীসহ আরো অনেক কর্মসূচী। এ কর্মসূচীগুলো সারা দেশে ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

মেয়র জিকে গউছ তার কারাবরণ প্রসঙ্গে বলেন, সমাজ সেবা করতে গিয়ে জীবনে এত কঠিন কঠিন বাধার সম্মূখীন হবো তা আমি কল্পনাও করতে পারিনি। বিনা অপরাধে আমাকে বার বার কারাবরণ করতে হয়েছে। জনগন হতে দুরে সরিয়ে রাখতে একটি অপশক্তি বারবার আমাকে সাজানো মামলায় হয়রানী করে আসছে। এমনকি জেলখানায় আমাকে প্রাণে হত্যার চেষ্টা পর্যন্ত করা হয়েছে। যে কারনে হবিগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়ন বার বার বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি ক্ষমতাসীন দলের বাইরে ভিন্ন একটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্বে থাকলেও পৌরসভার কর্মকান্ডে রাষ্ট্র আমার প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়নি। যদি দাঁড়াতো তাহলে আমি এক মিনিটও মেয়রের চেয়ারে আসীন থাকতে পারতাম না। তবে এটা সত্য যে, সকল বিপর্যয় স্থানীয় ষড়যন্ত্রের কারনেই সংগঠিত হচ্ছে। এ ষড়যন্ত্রের ফলে হবিগঞ্জ পৌরসভা ছয় মাস যাবত বিভিন্ন পদে লোক শূন্য হয়ে পড়ে আছে। এ পৌরসভায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদই এখন শূণ্য। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী, সচিব, সহকারী প্রকৌশলী, একাধিক উপ-সহকারী প্রকৌশলী, মেডিক্যাল অফিসার, টাউন প্ল্যানার, নকশাকার সহ গুরুত্বপূর্ন পদ সমূহে এখন এ পৌরসভায় কোন লোক নেই। হবিগঞ্জ পৌরসভা যাতে এগিয়ে যেতে না পারে সে জন্য ষড়যন্ত্রমূলক এ অবস্থার সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে। তারপরও মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে এবং আপনাদের সহযোগিতায় পৌরসভা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

বাজেটে নাগরিক মতামত প্রাধান্য পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভার ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট তৈরী করতে গিয়ে আমি ৩ দফায় প্রাক-বাজেট মতবিনিময় সভা করেছি। শহরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এসে তাদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেছেন।

নাগরিক সমস্যায় নিজের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্প্রতি হবিগঞ্জ পৌরসভায় বৃষ্টির পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা নাগরিকদের কষ্ট দিয়েছে। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, যত্রতত্র ড্রেনে ময়লা আবর্জনা ফেলা, অপরিকল্পিত স্থাপনা তৈরীসহ নানা কারনে বৃষ্টির পানি সরে যেতে সময় লেগে যায়। ইতিমধ্যে আমরা কালীগাছ তলায় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এক্সকেভেটরের মাধ্যমে খাল খনন করেছি। সাথে সাথে ঐ এলাকায় অবৈধ স্থাপনা অপসারন করেছি। বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে প্রতিবন্ধকতা অপসারনের কাজ চলছে। সে কারনে আমরা এ বাজেটে পরিচ্ছন্নতা ও ড্রেন খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে দিয়েছি। বাজেটে পবিত্র দুটি ঈদে পৌর এলাকার খতিব, ইমাম মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা প্রদান, দুর্গা পূজায় মন্ডপে অনুদান, বরেণ্য ব্যক্তিদের স্মরনে কর্মসূচী, মা-দিবস পালন সহ দুঃস্থ পরিবারের সহযোগিতায় অনুদান ইত্যাদি গুরুত্ব সহকারে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এরপর তিনি উপস্থিত ব্যাক্তিবর্গের কাছে বর্তমান অর্থবছরের উল্লেখযোগ্য ভৌত ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসমূহ বর্ণনা করেন।

এগুলো হলো-

১। রাজস্ব তহবিলের আওতায় ৪টি প্রকল্পের ৩৮ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭৯৯ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল, যার মধ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রায় ৫০% কাজ সমাপ্ত।
২। উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় ২০ টি প্রকল্পের ৯৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৯২৫ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল, যার মধ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রায় ১৫% কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

মেয়র জি কে গউছ বলেন, বিগত দিনের ধারাবাহিকতায় আগামী অর্থবছরে যে কার্যক্রমগুলো অব্যাহত থাকবে তা হলো- বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, মেধাবী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিবাবক এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বৃত্তি প্রদান, হজ্ব প্রশিক্ষন, পৌরকর মেলা, বই মেলা, বৈশাখী মেলা সহ বিভিন্ন মেলার আয়োজন, অসহায় দরিদ্র বালকদের সুন্নতে খৎনা কার্যক্রম, ইফতার মাহফিল ও যৌতুকবিহীন কন্যাদান।

মেয়র আরো বলেন, নতুনভাবে হবিগঞ্জ পৌরসভায় বিভিন্ন কর্মসূচী পালনের লক্ষ্যে বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে, প্রতি ঈদে বছরে দুইবার হবিগঞ্জ পৌরসভার অর্ন্তভূক্ত মসজিদগুলোতে দায়িত্বরত খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরকে সম্মানীভাতা প্রদান করা হচ্ছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও পল্লী কবি জসীম উদ্দিনের জন্মবার্ষিকী পালনে বরাদ্দ রয়েছে। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, দুঃস্থ, অসহায় শিল্পীদের অনুদান, পৌর মেয়র কাপ (ক্রিকট/ফুটবল) আয়োজন, মা দিবস উদযাপন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাষ্ট্রীয় ও বিদেশী মেহমানদের সংবর্ধনা প্রদানের লক্ষে বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএমডিএফ প্রকল্পের আওতায় উল্লেখযোগ্য যে সমস্ত প্রকল্প চলমান রয়েছে তার মধ্যে ড্রেন নির্মাণ ১ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা, এম. সাইফুর রহমান টাউন হলের সাউন্ড সিষ্টেম- ৬৫ লক্ষ টাকা (একোষ্টিক ও এয়ার কন্ডিশন), ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে কিচেন মার্কেট নির্মাণ।

বিএমডিএফ প্রকল্পের আওতায় নতুন বাজেটে ১ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর শিশু পার্ক নির্মাণ এবং ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে ।

তৃতীয় নগরপরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরন প্রকল্প-৩ এর আওতায় রাস্তা উন্নয়ন খাতে- ৩ কোটি ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার ৮৪০ টাকা ও ড্রেন নির্মাণে ৫ কোটি ৯১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬৬১ টাকা ব্যয়ে দুটি প্রকল্প চলমান আছে।

তৃতীয় নগরপরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরন প্রকল্প-৩ এর আওতায় নতুন বাজেটে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে রাস্তা উন্নয়ন- ১৪ কোটি টাকা, ডাম্পিং স্পটের জমি অধিগ্রহনে ১ কোটি টাকা, ড্রেন উন্নয়নে ৬ কোটি টাকা, ৪র্থ ওয়াটার ট্র্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণে ৫ কোটি টাকা, কিবরিয়া অডিটোরিয়াম সংস্কার ১ কোটি টাকা, নতুনভাবে পানির সংযোগ লাইনে মিটার স্থাপন ২ কোটি টাকা, পৌর শপিং মল নির্মাণে ১০ কোটি টাকা, চৌধুরী বাজার কাঁচামাল হাটা মার্কেট নির্মাণ ১ কোটি টাকা, মদন মোহন বাজার মার্কেট নির্মাণে ২ কোটি টাকা, পুরাতন পৌরসভায় ল’চেম্বার, বাসস্থান ও মার্কেট নির্মাণে ১০কোটি টাকা প্রস্তাবিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ।

মেয়র জি কে গউছ বলেন, আমি প্রতিনিয়ত হবিগঞ্জ পৌরসভার কর্মকান্ডকে পৌরবাসীর আরোও কাছাকাছি নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছি। পৌর এলাকায় যারা হতদরিদ্র পরিবার, তাদের সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা, দরিদ্র অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় সহায়তা ইত্যাদি প্রতিনিয়ত পরিচালনা করে আসছি। আর্ত মানবতার সেবায় হবিগঞ্জ পৌরসভা যাতে একটি অনুসরনীয় পৌরসভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, সে ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেছি। পৌর এলাকায় নারীদের জন্য মাদার কর্ণার, মহিলা ঘাটলা নির্মান করা হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গা পূজার সময় প্রতিমা বিসর্জনের জন্য আমার সময়ে নির্মিত খোয়াই মুখ এলাকায় একটি পৌর ঘাটলা রয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের কাজকে আরোও সহজতর করার জন্য মাছুলিয়া এলাকায় খোয়াই নদীতে আরেকটি পৌর ঘাটলা নির্মানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মহিলাদের জন্য আরোও একটি মাদার কর্ণার নির্মানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। হত দরিদ্র, দুঃস্থ ও অসহায় পৌরবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে পৌরসভার প্রচেষ্টা ছিল, ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে-ইনশাল্লাহ।

তিনি আরো বলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভার ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে আরো যে সমস্ত বিষয় গুরুত্ব সহকারে বাজেটে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে সেগুলো হলো- পানির লাইনে মিটার স্থাপন, সড়ক বাতি লাইন সম্প্রসারন, কবরস্থান ও শ্মশানঘাট উন্নয়ন, পানির লাইন সম্প্রসারন, প্রতিবন্ধী পূনর্বাসন, বন্যা, ঘুর্ণিঝড় ও অগ্নিকান্ড ইত্যাদি ক্ষেত্রে আপদকালীন সাহায্য প্রদান, শহরকে মনোরম করতে বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনি গড়ে তোলা, অসহায় দুঃস্থ ও নারী উন্নয়ন সহ অনগ্রসর শ্রেনীর উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহন, পৌরসভার নিজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য মার্কেট নির্মাণ ইত্যাদি।

এরপর নতুন কোন কর আরোপ ছাড়াই হবিগঞ্জ পৌরসভার ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেটের সার সংক্ষেপ উপস্থাপন করেন।

বাজেটে মোট আয় দেখানো হয়েছে ৭৮ কোটি ৪ লক্ষ ৭০ হাজার ৩ শ ৪৫ টাকা ৯০ পয়সা। আর ব্যয় দেখানো হয়েছে ৭৭ কোটি ৯৬ লক্ষ ১২ হাজার ৯ শ ৮১ টাকা ৯০ পয়সা। বাজেট বাস্তবায়ন হলে উদ্বৃত্ত থাকবে ৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৩শ ৬৪ টাকা।

পৌরসভার নিজস্ব খাতে মোট আয় রয়েছে ১৩ কোটি ৩৩ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা, ব্যয় রয়েছে ১৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৯ হাজার ৬শ ৮৫ টাকা ৯০ পয়সা। উন্নয়ন খাতে আয় রয়েছে ৬৪ কোটি ৭১ লক্ষ ১৪ হাজার ৩শ ৪৫ টাকা ৯০ পয়সা, ব্যয় রয়েছে ৬৪ কোটি ৬৮ লক্ষ ৩হাজার ২শ ৯৬ টাকা।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে কৃতজ্ঞতা, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে মেয়র বলেন, ভবিষ্যতে আমরা সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে হবিগঞ্জ পৌরসভাকে একটি আধুনিক, সুন্দর ও বাসযোগ্য পৌরসভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবো-ইনশাল্লাহ।