সেনেগালের বিদায়, নকআউট পর্বে কলম্বিয়া-জাপান

দুর্ভাগ্য সেনেগালের। কলম্বিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে ম্যাচ হারলেও জাপানের সমান পয়েন্ট হয়েছিল সেনেগালের। কিন্তু ফেয়ার প্লে’র পয়েন্টে পিছিয়ে পড়ে বিদায় নিলো সেনেগালকে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) সামারায় অনুষ্ঠিত ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেছে কলম্বিয়া। অন্য ম্যাচে হেরেও ফেয়ার প্লে’র পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শেষ ষোলোয় উঠেছে জাপান।

শেষ ষোলোয় যেতে হলে জিততেই হবে- এমন সমীকরণ নিয়ে মাঠে নামে কলম্বিয়া। ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এইচ’ এর তৃতীয় স্থানে থাকা দলটি ৭৪ মিনিটে হেড থেকে করা ইয়েরি মিনার গোলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে। একই সঙ্গে তারা পেয়েছে গ্রুপের শীর্ষস্থান।

অন্যদিকে, ড্র করলেই শেষ ষোলতে চলে যেতে পারতো সেনেগাল। কিন্তু ড্র’তো দূরের কথা, উল্টো হেরে গেল সেনেগাল। তারপরও সুযোগ ছিল। কারণ অন্য ম্যাচে পোল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে গেছে জাপান। তাতে দুই দলেরই সমান ৪ পয়েন্ট হয়। এমনকি গোল ব্যবধান, মুখোমুখি লড়াই সব হিসেবেই জাপানের সমান পয়েন্ট হয়ে যায় সেনেগালের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফেয়ার প্লে’র পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শেষ ষোল নিশ্চিত হয় জাপানের। জাপানের ফেয়ার প্লে পয়েন্ট -৪ আর সেনেগালের পয়েন্ট -৬।

ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছেন ইয়েরি মিনার। ৭৪ মিনিটে কুইনতেরোর কর্নার থেকে নিচু হেডে গোল করেন মিনা। কিন্তু তার একমাত্র গোলেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়নি। বরং অন্য ম্যাচে জাপানের হেরে যাওয়ার পরও পয়েন্ট সমতায় সুযোগ ছিল সেনেগালের। কিন্তু সেনেগালকে বিদায় করে দিলো ফেয়ার প্লে’র হিসাব।

ম্যাচে হলুদকার্ড বেশি পাওয়ায় সেনেগাল যেতে পারেনি শেষ ষোলোতে। জাপানের হলুদকার্ড ৪টি, সেনেগালের ৬টি। তাই বাদ পড়ে গেল আফ্রিকার দলটি। অবশ্য লালকার্ড নেই কোনো দলেরই।

অন্যদিকে ভলগোগ্রাদে একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে পোল্যান্ডের জয়ে একমাত্র গোলটি করেন ইয়ান বেদনারেক।