সুনামগঞ্জের ডিসি সাবিরুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে রুল

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম

বিনা কারণে ইউএনওর কার্যালয়ে দুই ব্যক্তিকে আটক রাখা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাদের কেন ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এছাড়া আগামী চার সপ্তাহের মধ্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) সাবিরুল ইসলাম, ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবেদা আফসারী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোনিয়া সুলতানাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) বিকালে এক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান- দুই ব্যক্তির আইনজীবী মো. মঈনুল ইসলাম।

তিনি জানান, ছাতকের নোয়ারাই গাজির মোকাম-জামে মসজিদ ভাঙতে এলাকার দুই ব্যক্তি মঞ্জুরুল ও আশিমশাকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসার আদেশ দেন। এ আদেশ পালন না করায় তাদের আটক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাখা হয়।

পরবর্তীতে এলাকার সাধারণ মানুষের আন্দোলনের কারণে এই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেন ইউএনও। এ ঘটনায় সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ লংঘন হওয়ার অভিযোগ এনে প্রথমে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়। পরবর্তীতে নোটিশের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টের রিট করেন এই আইনজীবী। শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদালত এ অদেশ দেন।

এ ব্যাপারে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবেদা আফসারী রাত সাড়ে ৯ টার দিকে সিলেট ভয়েসকে বলেন- এখন পর্যন্ত রুলের ব্যাপারে কোনো খবর তিনি পাননি। তবে রুল জারি হলে আইনগতভাবে তার জবাব দেয়া হবে।

এসময় ঘটনার ব্যাপারে তিনি বলেন- ‘তারা যে অভিযোগ করেছে তা সঠিক না। আমি তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি তারপর সেটার প্রেক্ষিতে তারা বন্ড সইও করেছে যে ভবিষ্যতে তারা সরকারি জমিতে কোনোরূপ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করবে না।’

এ ব্যাপারে জানতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ করেন নি।

সূত্র : যুগান্তর