সিকৃবিতে ‘মুক্ত আকাশে যাবজ্জীবন কারাবাস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

0
0

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে হাবিবা সুলতানা খুশি রচিত ‘মুক্ত আকাশে যাবজ্জীবন কারাবাস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে জসিম বুক হাউস।

মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদমিনারে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক রাহুল ভট্টাচার্য, জসিম বুক হাউসের স্বত্বাধিকারী মো. জসিম উদ্দীন সহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

গ্রন্থটিতে মোট ২৮টি কবিতাসহ অসংখ্য ম্যাক্সিমের স্থান পেয়েছে। এটি হাবিবা সুলতানা খুশি রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

‘মুক্ত আকাশে যাবজ্জীবন কারাবাস’ সম্পর্কে হাবিবা সুলতানা খুশি বলেন, ‘সাহিত্যের প্রতি আবেগ কিংবা দুর্বলতায় মূলত প্রকাশ করে একজন মানুষের রুচিশীলতা। দ্রব্যমূল্যের অগ্রগতি, ফেসবুকিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের অস্থিতিশীলতার ফলেই অধিকাংশ মানুষ সাহিত্য বিমুখ হয়ে পড়েছেন। আর কবিতার প্রতি এই বিমুখতা যেন একটু বেশিই। কিন্তু একজন পাঠক হিসেবে আমার ক্ষেত্রে বিষয়টা সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমি গল্প কিংবা উপন্যাসের চাইতে কবিতা পড়তেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। মানসম্মত লেখার নেশা আমার সবসময়ের। আমার কাছে কবিতা মূলত একাকীত্বের অবলম্বন। আর আমি এমন একটি কবিতার জন্ম দিতে চাই যা পৃথিবী গর্ভে বিলীন হবে না, যার আয়ু হবে সহস্র বছর কিংবা তারও বেশি।’

এ সময় তিনি আরো বলেন, পাঠকদের উদ্দেশ্যে অন্তত এতোটুকু বলতে পারি আমার ‘মুক্ত আকাশে যাবজ্জীবন কারাবাস’ কাব্যগ্রন্থটি পড়লে একঘেয়েমি চলে আসবে না। বিরহ, প্রতিবাদীসহ বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক কবিতা আমার এই বইটিতে পাবেন। আর লেখা কতটুকু পাঠক হৃদয় স্পর্শ করবে তা পাঠকই ঠিক করবেন।

মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আতিকুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান চর্চার কোন শেষ নেই। এ বিশ্ববিদ্যালয় অনেক শিক্ষার্থী আছে যাদের মেধা প্রজ্ঞা ও লেখনীর শক্ত হাত রয়েছে। খুশির মতো মেধাবী শিক্ষার্থীরাই পারে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা, সহ-শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে। এরকম জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবে।’