সালাহবিহীন মিসরকে ১-০ গোলে হারালো উরুগুয়ে

দলের মূল তারকাই ছিলেন না মাঠে। তবুও শেষ অবধি লড়ে গেছে মিসর। শেষ মুহূর্তের গোলে মিসরকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে উরুগুয়ে।

সালাহ যে একাদশে থাকবেন না, সেটা ম্যাচের আগে থেকেই জানা। তবুও মাঠের খেলায় দুই দল ছিল সমতায়, শুধু খেলার সৌন্দর্য চিন্তা করলে সালাহ বিহীন মিসরই এগিয়ে ছিল। কিন্তু গোলের সুযোগে এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। আর বারবার আক্রমণ করার মানসিকতা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখার ফলেই খেলার শেষভাগে এলো জয়সূচক গোল। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে কার্লোস সানচেজের ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে মিশরের জালে বল পাঠান হিমেনেজ। অসাধারণ খেলেও ম্যাচ হারতে হয় মিসরকে।

ম্যাচের মূল একাদশে জায়গা হয়নি সালাহর। আর নিজেদের সেরা খেলোয়াড়কে বাইরে রেখে খেলতে নামা মিসরের আক্রমণভাগও যেনো জানান দিচ্ছিলো সেই কথা। খেলায় রক্ষনাত্মক কৌশল নিলেও বেশ কয়েকবার উরুগুয়ের সীমানায় আক্রমন চালায় মিসর। তবে ম্যাচে এগিয়ে যেতে পারেনি শুধু একজন ভালো ফিনিশারের অভাবে। নয়তো ম্যাচের ভাগ্য অন্যরকম হতেও পারতো।

আর উরুগুয়ের আক্রমণভাগকে ভালোই সামলেছেন মিসরের ডিফেন্ডাররা। উরুগুয়েও কম যায়নি, পুরো ম্যাচে যেন গোল মিসের মহড়া দিয়েছেন সুয়ারেজ-কাভানিরা। উরুগুয়ের গোল মিসের মহড়া দেখে মনে হয়েছিল ড্রই এই ম্যাচের শেষ ফল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে হিসেব পাল্টে দিলেন উরুগুইয়ান ডিফেন্ডার হিমেনেজ।

খেলার ২৩ মিনিটে বড় সুযোগ পায় উরুগুয়ে। কিন্তু লুইস সুয়ারেজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তার শটে গোলপোস্টের বাইরে চলে যায়। ৩২ মিনিটে বক্সের একটু বাইরে ফ্রি-কিক পায় উরুগুয়ে। এবারও শট নিয়ে মিসরের মিসরের রক্ষণ দেয়াল ভাঙতে পারেননি সুয়ারেজ। ৪৭ মিনিটে কাভানির কাছ থেকে বল পেয়ে ডানদিক থেকে বার্সা তারকার সুয়ারেজের শট মিসর গোলরক্ষক এল শেনাউইয়ের পায়ে লেগে একটুর জন্য গোল হয়নি। ৭৩ মিনিটে আবারো শেনাউইকে একেবারে একা পেয়ে যান সুয়ারেজ। কিন্তু কাভানির আলতো টোকায় পাওয়া বলে সময়ক্ষেপন করে শেনাউইকে আটকে দেয়ার সুযোগ করে দেন বার্সা ফরোয়ার্ড।

৮৩ তম মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে বড় সেভটি করেন মিসর গোলরক্ষক। ডি বক্সের একটু বাইরে হেডে কাভানির কাছে বল দেন সুয়ারেজ। দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল প্রায় করেই ফেলেছিলেন কাভানি। লাফ দিয়ে এক হাত ছুঁইয়ে সেই বলটা বাইরে পাঠিয়ে দেন শেনাউই।

অবশেষে শেষ বাঁশি বাজার একটু আগে ৮৯ তম মিনিটে কার্লোস সানচেজের ফ্রি-কিক থেকে দারুণ হেডে গোল করেন হোসে হিমেনেজ। ১-০ গোলের জয় তুলে নেয় উরুগুয়ে।