সর্বনিম্ন রানের লজ্জায় ডুবলো বাংলাদেশ

কেমার রোচের বিধ্বংসী বোলিংয়ে বিধ্বস্ত টাইগারদের ব্যাটিং লাইন আপ। অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে এই ক্যারিবিয়ান পেসারের বোলিং তোপে মাত্র ৪৩ রানে অল আউট বাংলাদেশ।

সফরকারীদের টপ অর্ডার একাই গুড়িয়ে দিয়েছেন কেমার রোচ। প্রথম ৫ উইকেটের ৫ টিই রোচের শিকার। ৫ ওভারে মাত্র ৮ রান খরচায় টেস্ট ক্রিকেটের অষ্টম ৫ ‍উইকেটের দেখা পেয়েছেন এই পেসার। এরপর বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের লেজটা মুড়ে দিয়েছেন হোল্ডার ও কামিন্স। ৪ ওভারে ১১ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন কামিন্স আর ৪ ওভার ৪ বল করে ১০ রান দিয়ে বাকি দুই উইকেট হোল্ডারের।

লিটন দাসকে নিয়ে ওপেনিংয়ে নামেন তামিম ইকবাল। ইমরুল কায়েসের জায়গায় খেলতে নামা ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান করেছেন দলীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান। এছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে পৌছাতে পারেন নি কেউ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ক্যারিবিয়ান উইকেটরক্ষক শেন ডওরিচকে ক্যাচ দেন তামিম। দু’ওভার পর মুমিনুল হক শাই হোপের ক্যাচ হয়ে ফেরেন। এতটুকুতে হয়তো আশা ফুরিয়ে যায়নি।

কিন্তু মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের তিনজনই শূন্য রানে ফিরে ফিরে যাওয়ায় বাংলাদেশের ইনিংস মূলত তখনই শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ১৮ রানে ৫ উইকেট। কেমার রোচ একাই নিয়েছেন পাঁচজনকেই।

এরপর আর লড়ার মতো লিটন দাসই ছিলেন ক্রিজে। কিন্তু ইনিংসের ১৪ তম ওভারে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে লিটনের। কামিন্সের ওভারপিচ বল উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন মিড উইকেট দিয়ে, ব্যাটে বলে না হয়ে সেটা গেলো ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে চেজের ক্যাচ হয়ে। ২৫ রান করে লিটন ফেরেন দলীয় ৩৪ রানের মাথায়। এরপর নুরুল, মিরাজ, রাব্বি আর রাহী ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিংয়ে নামতে বাধ্য করলেন প্রথম সেশনেই।

২০০৭ এ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে করা টেস্টে প্রথম ইনিংসের সর্বনিম্ন রেকর্ড ৬৮ রান ভেঙ্গে নতুনভাবে ৪৩ রান এ নামিয়ে আনলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা।