‘সমাবেশের অনুমতি পায়নি বিএনপি’

দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সাজা দেয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশের প্রস্তুতি চলছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমাবেশ করতে লিখিত এবং মৌখিকভাবে এখনও অনুমতি পায়নি দলটি।
বুধবার (২৮ মার্চ) সকালে রাজধানীয় নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব কথা জানান।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সাজা দেয়ার প্রতিবাদে বিএনপি উদ্যোগে পূর্বঘোষিত সমাবেশের অনুমতির বিষয়ে যথাসময় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া এবং অবহিত করা হয়েছে। আর এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিএনপির একটি উচ্চ পর্যায়ের টিম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে স্বাক্ষাৎও করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে আমরা কোন সহযোগিতা পাইনি। কারণ জনসভা করতে দিলে মানুষের ঢল নামবে। এখানেই তাদের ভয়।

এক এগারোর সরকারের সময় তাকে গ্রেপ্তারের পেছনে কারা ছিল সেই তথ্য জানা গেছে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ বক্তব্যে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, হঠাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্য রহস্যজনক ও কৌতুহলোদ্দীপক। ১/১১ এর সরকারের এক্সটেনশন বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার। ১/১১ এর ষড়যন্ত্রকারীদের ক্ষমা করে দেয়ার শর্তে ষড়যন্ত্র করে তারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল।

তিনি বলেন, গতকাল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে হ্যামলেট নাটকের একটি উক্তি মনে পড়ছে-‘ডেনমার্কে কিছু পচছে’। কি এমন হলো যে এতো বছর পর তিনি উল্টো কথা বলতে শুরু করলেন? এখনও তো আপনি ক্ষমতায়, তাহলে পরে কেন, এখন বিচারের মুখোমুখি করছেন না কেন- এ প্রশ্ন সাধারণ মানুষের।

আন্দোলনের মাধ্যমেই বর্তমান স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটবে বলে ক্ষমতাসীনদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে ইনশাল্লাহ। বেগম খালেদা জিয়াকে আটকে রেখে পাতানো প্রহসনের ষড়যন্ত্রের নির্বাচনকে প্রতিহত করেই ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রীর নেতৃত্বে বিএনপি অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে অংশ নেবে।