শাহজিবাজারের পরিত্যক্ত কুপে গ্যাসের সন্ধান

দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত থাকা হবিগঞ্জের শাহজিবাজার গ্যাসক্ষেত্রের ১ নম্বর কূপে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি চালু হলে এখান থেকে দৈনিক ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

দুই মাস ধরে ওয়ার্ক ওভার কাজ শেষে মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) গ্যাস মজুদ থাকার কথা জানায়।

বাপেক্স-এর পরিচালক (অনুসন্ধান) খন্দকার শাহজাহান জানান, ১৯৬৩ সালে শাহজিবাজার গ্যাসক্ষেত্রের ১ নম্বর কূপ থেকে গ্যাস সরবারাহ শুরু হয়। কিন্তু ২০১২ সালে এ কূপ থেকে গ্যাসের পরিবর্তে পানি বের হলে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে নতুন গ্যাসের মজুদ অনুসন্ধান করতে শাহজিবাজার এবং সিলেটের কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্রের পরিত্যক্ত কূপে কাজ শুরুর উদ্যোগ নেয় বাপেক্স।

তিনি আরো বলেন, গত দুই মাস আগে শাহজিবাজার গ্যাস ক্ষেত্রের পরিত্যক্ত ১ নম্বর কূপে কাজ শুরু হলে মঙ্গলবার দুপুরে বাপেক্স নিশ্চিত হয়, এ কূপে গ্যাস রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২৭৫ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ রয়েছে বলে ধারণা করছি। এটি সচল হলে এখান থেকে দৈনিক ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।

বাপেক্সে-এর ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, এই মুহূর্ত থেকে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। তবে আগের সঞ্চালন লাইনটি যথাযথ রয়েছে কি-না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। সঞ্চালন লাইন ঠিক থাকলে ওই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু করা হবে।

এ কুপ থেকে উত্তোলিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে বর্তমানে গ্যাসের যে সংকট তা কিছুটা হলেও লাঘব হবে বলে মনে করেন তিনি।