মৌলভীবাজারের চারটি খাদ্য গুদামে ঢুকছে বন্যার পানি

মৌলভীবাজারের বারইকোনা এলাকায় মনু নদীর ভাঙনের ফলে শনিবার (১৬জুন) রাত থেকে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হতে থাকে। দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করে। এছাড়া জেলা সদরের তিনটি ইউনিয়ন নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলা শহরের সঙ্গে সিলেটসহ মৌলভীবাজারের চারটি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বন্যার পানি বৃদ্ধি পেতে থাকায় সদর উপজেলার চারটি সরকারি খাদ্য গুদামে পানি প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ চাল ভিজে গেছে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোজ কান্দি দাশ চৌধুরী জানান, শহরের কুসুসবাগ এলাকায় দুটি এবং সদর উপজেলা পরিষদের পাশে দুটি গুদামে পানি ঢুকেছে। এতে সাড়ে প্রায় ছয়শ টন চাল ভিজে গেছে। বাকি চাল সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

গত কয়েকদিন থেকে মনু, ধলাই ও কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে মৌলভীবাজারের অন্তত দেড়শ গ্রাম প্লাবিত হয়। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকার সড়ক যোগাযোগ।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী পার্থ জানান, মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। মনু নদীর পানি চাঁদনীঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১৫৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত দুইদিন ধরে শহর প্রতিরক্ষা বাঁধের ঝঁকিপূর্ণ স্থানে বালুর বস্তা দিয়ে শহরের প্রধান বিপণন এলাকা রক্ষা হলেও শনিবার মধ্য রাতে বারইকোনায় ভাঙনের ফলে তলিয়ে যায় শহর ও শহরতলীর বিশাল অংশ।

এপর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় ৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।