মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ

পদত্যাগ করেছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন কিঅ। প্রেসিডেন্ট অফিসের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা বিবিসি এমন খবর জানিয়েছে। তবে পদত্যাগের কোনো কারণ জানা যায়নি।

বিবিসি জানায়, তবে, ৭১ বছর বয়সী এই প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। ফলে, সাম্প্রতিক সময়ে দাপ্তরিক কাজকর্ম পরিচালনায়ও অসুবিধা হচ্ছিল তার।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারে দীর্ঘদিনের সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০১৬ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন থিন কিঅ। তবে তার প্রেসিডেন্ট পদটি কার্যত নামধারী হয়ে পড়ে। কারণ তার বিরোধীদলীয় এবং দেশটির ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চি বর্তমানে দেশটির কার্যকর প্রেসিডেন্টের ভূমিকা পালন করছেন।

দীর্ঘদিন ধরে সামরিক জান্তার রোষানলে কারাভোগের ফলে, দেশটির আইনানুসারে সর্বোচ্চ পদটিতে আসীন হতে পারছেন না সু চি।

এছাড়াও, মিয়ানমারের আইনানুসারে কোনো বর্মি নাগরিকের সন্তানের যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব থাকে তবে তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হন। পৈত্রিক সূত্রে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে সু চি’র দুই সন্তানের।

উল্লেখ্য, থিন কিঅ ছিলেন সু চি’র বাল্যবন্ধু, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং এক সময়ের গাড়িচালক। তাকে যথেষ্ট বিশ্বাস এবং ভরসা করতেন সু চি। তবে পরবর্তীতে নানা কারণে বৈরীতায় পরিণত হন তারা।

আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রেসিডেন্ট অফিসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়।

নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট মিন্ট সোয়ে।