মরক্কোর আত্মঘাতী গোলে ইরানের জয়

শেষ মুহূর্তের আত্মঘাতী গোলে ইরানের কাছে হেরে গেলো মরক্কো। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হওয়ার পর ৬ মিনিটের ইনজুরি টাইম চলছিল তখন। খেলা ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, কিন্তু মরক্কোর স্ট্রাইকার আজিজ বাহাদৌজ হেড করে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দিলে উল্লাসে ভাসে ইরান। শেষ মুহূর্তে এমন হারের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন মরক্কোর খেলোয়াড়রা।

শুক্রবার (১৫ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় সেন্ট পিটাসবার্গ স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। প্রথমার্ধে খেলা শুরুর পর মরক্কোর একের পর এক আক্রমণে পর্যুদস্ত হয়ে পড়েছিলো ইরান। তবে ম্যাচ যতো গড়াচ্ছিলো ইরান যেনো নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছিলো। ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিট মরক্কোর নিয়ন্ত্রণে ছিল। বেশ কিছু সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয় মরক্কো। তবে একের পর এক আক্রমণে ইরানের রক্ষণকে চাপে রাখে দলটি।

খুব দ্রুতই ম্যাচে ফেরে ইরান। দুইবার গোল করার খুব কাছে গিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন ইরানি মিডফিল্ডার কারিম আনসারিফার্দ। আর একবার সারদার আজমাউনের জোরালো শট ফিরিয়ে দেন মরক্কান গোলরক্ষক মুনির মুহামেদি। ফিরতি শটে ফের গোলমুখে শট নেন আজমাউন। এবারও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় বেঁচে যায় মরক্কো।

দ্বিতীয়ার্ধে মরক্কোর আক্রমণের ধার কমে। দারুণ খেলতে থাকা ইরানও গোল পাচ্ছিলোনা। তবে একরে পর এক আক্রমনে তটস্থ করে রাখে মরক্কান রক্ষণ শিবিরকে। মরক্কোও মাঝে মাঝে পাল্টা আক্রমন হানে। ৮০ তম মিনিটে ডি-বক্সের একটু বাইরে থেকে জিয়াশের শট ঠেকিয়ে ইরানকে বাঁচান গোলরক্ষক।

নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত আরো ৬ মিনিট যোগ হয়। খেলার ৯৫ মিনিটে বাঁ দিক থেকে ইরানের এহসান হাজি শফির ফ্রি কিক হেডে বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন আজিজ বাহাদৌজ। ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইরান।

এটি বিশ্বকাপে ইরানের দ্বিতীয় জয়। এর আগে ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল তারা।