বিশ্বম্ভরপুরের ঝিলিক কোথায় জানতে চায় সহপাঠীরা

নিখোঁজের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও এসএসসি পরীক্ষার্থী ঝিলিকের খোঁজ না পেয়ে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করেছেন তার সহপাঠীরা ও বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পুরো নাম লায়লা সোবহান ঝিলিক(১৪)। সে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী।

সহপাঠীরা ধারণা করছেন, ঝিলিক নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সদস্যদের শিকার হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পলাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় ঝিলিকের সহপাঠী ও বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঝিলিকের গ্রামের লোকজন ও পলাশ বাজার এলাকার সাধারণ মানুষও অংশ নেন।

এসময় শিক্ষার্থীরা পলাশ বাজার এলাকায় তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক এক ঘন্টা অবরোধ করে রাখেন।

ঘন্টাব্যাপী ধরে চলা এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পলাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জুলহাস মিয়া, নিখোঁজ ঝিলিকের চাচা সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসেন, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাবেক ইউপি সদস্য আমেনা খাতুন, ঝিলিকের বাবা আব্দুস সোবহান, সহপাঠী মিফাহুল জান্নাত মিলি, মুনতাহ জান্নাত কলি, তাহমিনা আক্তার রিপতা, প্রিতুল দাস, আবু সাইম প্রমুখ।

এসময় বক্তারা আগামি ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিখোঁজ ঝিলিকের সন্ধানের দাবিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

উল্লেখ্য, লায়লা সোবহান ঝিলিক ২১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টায় নিজ বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার উদ্যেশে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরে ২২ জুলাই (শুক্রবার) ঝিলিকের চাচা আব্দুল মালেক বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লক্ষণশ্রী গ্রামের সাজ্জাদুর রহমান সাঞ্জু মিয়ার মেয়ে সুমা আক্তার শাহজাদীর (২৫) নাম উল্লেখ করে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন।

এদিকে ঝিলিককে উদ্ধারের জন্য ২৫ জুলাই (সোমবার) বিকালে র‌্যাব-৯, সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ) এ একটি লিখিত আবেদন করেন ঝিলিকের বড় ভাই কামাল হোসেন।