প্রস্তুতি ম্যাচের প্রাপ্তি তামিম-মাহমুদুল্লাহর শতক

তামিম-মাহমুদুল্লাহ’র ব্যাটে শতক, সাকিবের অর্ধশতক আর টাইগার পেসারদের উইকেট পাওয়া- ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মূল সিরিজ শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে আপাতত এগুলোই স্বস্তির পাওয়া।

আগামী ৪ জুলাই এন্টিগায় স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে শুরু হবে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্ট। তার আগে টাইগাররা গা গরমের ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রেসিডেন্ট একাদশের বিপক্ষে। দুই দিনের ম্যাচে এন্টিগার স্ট্যানফোর্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।

তামিম ইকবালের সাথে ওপেন করতে আসা লিটন দাশের উইকেটটা ৫ম ওভারেই নেই। মুমিনুল আর নাজমুল হাসান শান্তও হাঁটেন একই পথে।

তবে সে পথে হাঁটেন নি তামিম ইকবাল। ১৬৫ বল খেলে ১২৫ রান করে স্বেচ্ছায় বিশ্রামে যান তিনি। চার নম্বরে ব্যাট করতে আসা অধিনায়ক সাকিব আল হাসান করেন স্বভাবসুলভ ব্যাটিং। ১৪ চারে ৭৯ বলে করেন ৬৭ রান।

সাকিবের বিদায়ে রিয়াদকে সঙ্গী করে দলের হাল ধরেন তামিম। রিয়াদের ব্যাটেও আসে শতরানের ইনিংস। ১১১ বলে ১০২ রান করে তামিমের মত রিয়াদও যান স্বেচ্ছা বিশ্রামে।

উইকেট কিপার-ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান করেন মাত্র ১ রান। এরপর ৪৮ বলে ২৮ রান করেন মেহেদী মিরাজ। আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েস আট নম্বরে ব্যাট করতে এসে ৫৩ বলে খেলেন ৪০ রানের ইনিংস। প্রথম দিনে সব উইকেট হারিয়ে ৮৪.২ বলে ৪০৩ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা।

ব্যাটিং পর্বটা ভালোমত শেষ করলেও বোলিংয়ে কিছুটা নিষ্প্রাণ ছিলেন টাইগার বোলাররা। বাংলাদেশের দেয়া ৪০৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮৫ ওভারে ৮ উইকেটে ৩১০ রান তুলে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রেসিডেন্ট একাদশ। শিমরন হেটমেয়ারের ব্যাটে আসে সর্বোচ্চ ১২৩ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ রান আসে শিমরন ব্রুকসের ব্যাটে।

বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহী ও সফিউল ইসলাম। ১ উইকেট করে পান রুবেল হোসেন, কামরুল ইসলাম রাব্বি, মাহমুদুল্লাহ আর মুমিনুল হক।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজে রয়েছে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে আর তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।