পারলেন না মুশফিক, ফাইনালে ভারত

আগের ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাট করে শ্রীলংকার বিপক্ষে বাংলাদেশকে দারুণ এক জয় উপহার দিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। আজ (বুধবার) ভারতের বিপক্ষে ম্যাচেও তেমন ইঙ্গিত দিচ্ছিলো মুশফিকের ব্যাট। তবে শেষ পর্যন্ত পারলেন না মুশি। জয়ের কাছাকাছি গিয়েও হারের হতাশা নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরতে হলো এই সাবেক অধিনায়ককে।

নিদাহাস ট্রফিতে দ্বিতীয় সাক্ষাতে ভারতের ১৭৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৫৯ রান করতে সক্ষম হয়েছে টাইগাররা। ম্যাচ হেরে গেছে ১৭ রানে।

ম্যাচ না জিততে পারলেও টি-টোয়েন্টিতে টানা তৃতীয় ও ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অপরাজিত থাকেন ৫৫ বলে ৭২ রান করা মুশফিকুর রহিম। এর আগে অপেনার তামিম ইকবাল ২৭ ও মিডল অর্ডারে সাব্বির রহমান করেন ২৭ রান। বাকি ব্যাটসম্যানরা চরমভাবে ব্যর্থ হন।

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে ওয়াশিংটন সুন্দর মাত্র ২২ রান খরচায় তুলে নেন বাংলাদেশের ৩ উইকেট।

বুধবার প্রেমাদাসায় ব্যাট করতে নেমে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা দ্রুত ফিরে গেলে গত ম্যাচের মতো ফের হাল ধরেন মুশফিক। ব্যাকফুটে চলে যাওয়া দলকে দারুণভাবে এগিয়ে নিয়েছেন তিনি। কিন্তু অপর প্রান্তের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় জয় পাওয়া হলো না টাইগারদের।

ম্যাচটিতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আমন্ত্রণে ভারতের হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন রোহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ান। শুরু থেকে রোহিত বেশ শান্তশিষ্টভাবে ব্যাট চালালেও ধাওয়ানের ব্যাট বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু ভাগ্য সহায়ক না থাকায় ইনিংসের ৯.৫ ওভারের মাথায় রুবেল হোসেন তাকে বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান।

মাঠ ছাড়া পূর্বে তার ৩৫ রান (২৭ বল)। এরপর রোহিতকে সঙ্গ দিতে আসেন সুরেশ রায়না। তিনি ১৭২ রান পর্যন্ত রোহিতের সঙ্গে থেকে ৪৭ রান করে ক্যাচ আউটের শিকার হন।

ততক্ষণে ফিফটি পূরণ করে সেঞ্চুরির কাছাকাছি চলে যান রোহিত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওভার স্বল্পতা ও শেষ বলে রানআউটের শিকার হন তিনি। তারপরও দলের বড় স্কোরের (১৭৬) দিনে ৮৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। ম্যাচ শেষে এই ইনিংসের জন্য প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন রোহিত।

বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র রুবেল হোসেন ভারতের দুটি উইকেট তুলে নেন।

এই জয় দিয়ে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করলো টিম ইন্ডিয়া। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে ফাইনালে ভারতের সঙ্গী হওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও স্বাগতিক শ্রীলংকা।