পাঁচ ঘণ্টা পর মুক্ত হলেন নোমান

আটকের প্রায় পাঁচ ঘন্টার পর মুক্ত হলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানসহ গাজীপুরের ১৩ নেতাকর্মী। রোববার (০৬ মে) রাত ১০টার দিকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এর আগে বিকাল ৫টার দিকে গাজীপুরের টঙ্গীর আরিচপুর থেকে নোমানকে আটক করে টঙ্গী থানা পুলিশ। গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের বাসার সংবাদ সম্মেলন থেকে বের হওয়ার পরপর তাদের আটক করা হয়।

আবদুল্লাহ আল নোমানের ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) নুরুল আজিম হীরু বলেন, ‘গাজীপুর সিটি নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের বাসার সংবাদ সম্মেলন শেষে ঢাকায় ফেরার পথে টঙ্গী পৌরসভার কাছ থেকে স্যারকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়।’

সাবেক মন্ত্রী নোমানকে আটকের বিষয়ে টঙ্গী থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা এএসআই তানিয়া আক্তার বলেন, নোমানসহ ১৩ জনকে থানায় আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাব্বির হোসেন, শহীদুল ইসলাম ও আজাদ হোসেনের নাম জানালেও বাকিদের বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি।

তবে রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তোফাজ্জল হোসেন যুগান্তরকে বলেন, তাদের আটক করা হয়নি। থানায় আনার পর ছেড়ে দেয়া হয়।

একইদিন বিকালে হাসান উদ্দিন সরকারের বাড়ি ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বাড়ির ভেতর বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে ১৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও এর ১০ দিন আগে রোববার একটি রিট আমলে নিয়ে নির্বাচন ৩ মাসের জন্য স্থগিত করে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।

নির্বাচন স্থগিতের খবর পাওয়ার পর রোববার বিকালে নগরীর টঙ্গীস্থ নিজবাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার।

গণসংযোগে অংশ নিতে যাওয়া কেন্দ্রীয় নেতা নোমান, বুলু, মিলনসহ আরও কয়েকজন হাসান সরকারের বাসায় যান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নোমানসহ অন্য নেতারা। সংবাদ সম্মেলন শেষ করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন নোমান। কিন্তু বের হওয়ার পরপরই তাকেসহ স্থানীয় বেশ কয়েক নেতাকে আটক করে পুলিশ।