নবীগঞ্জে নিখোঁজের ৪দিন পর কিশোরের মাথাবিহীন লাশ

নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ের ভেতর থেকে নিখোঁজের চার দিন পর কাওছার মিয়া (১৪) নামে এক কিশোরের মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (০২ জুন) সন্ধ্যায় পানিউমদা ইউনিয়নের চাতল গ্রামের নিকটবর্তী একটি পাহাড় থেকে এ লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত কাওছার মিয়া চাতল গ্রামের হায়দর আলীর পুত্র।

এদিকে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তারা হল- চাতল গ্রামের কাছুম আলীর পুত্র দুরুদ মিয়া (২৬) ও একই গ্রামের সুফি মিয়ার পুত্র জগলু মিয়া (৩০)।

জানা যায়, গত ২৯ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর কাওছার তাদের বাড়ির কাছে স্থানীয় একটি দোকানে যায়। সেখান থেকে রাত সাড়ে ১১টার দিকে একই এলাকার কাছুম আলীর ছেলে দুরুদ মিয়ার সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে সে নিখোঁজ হয়। ছেলের সন্ধান না পেয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন তার পিতা হায়দর আলী।

নিখোঁজের চার দিন পর শনিবার (০২ জুন) বিকেলে মাথাবিহীন লাশ দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। পরে এ লাশটি কাওছারের হিসাবে চিহ্নিত করে তার পরিবার। পরে খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী, থানার ওসি এস.এম আতাউর রহমান একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ উদ্ধার করেন। এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবী করেন কাওছারের পিতা হায়দর মিয়া।

নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম আতাউর রহমান বলেন, ৪দিন আগে নিখোঁজ হওয়ার পর তারা থানায় জিডি করে এবং পুলিশ এ বিষয়ে তদন্তও করে। ধারণা করা হচ্ছে এটা পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

এ ব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী বলেন, ইতোমধ্যে পুলিশ দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। আশা করি শীঘ্রই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হবে।