দোয়ারাবাজারে সুরমা নদীর ভাঙন পরিদর্শনে সচিব

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় সুরমা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব কবির বিন আনোয়ার।

শনিবার(১৪ জুলাই) সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি উপজেলার নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে সুরমা নদী দীর্ঘদিন থেকে ভাঙনের শিকার। এখানে পাকা সড়কের বেশ কিছু অংশ এবং অর্ধশতাধিক দোকান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীভাঙনের হুমকিতে রয়েছে উপজেলা পরিষদের কয়েকটি ভবন, দোয়ারাবাজার-ছাতক সড়ক, আশাপাশের কয়েকটি গ্রামের ঘরবাড়ি। এর মধ্যে উপজেলা পরিষদের সামনের অংশে এক কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে জরুরি সংস্কার কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

শনিবার সকাল সাড়ে নয়টায় সচিব কবির বিন আনোয়ার দোয়ারাবাজারে আসেন এবং ভাঙ্গনকবলিত দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের সামনের অংশ, মংলারগাঁও, মাজেরগাঁও, মুরাদপুর, মাছিমপুর এলাকার পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি উপজেলার পরিষদের সামনে নদী ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক কোটি ৪৭লাখ টাকার চলমান কাজও পরিদর্শন করেন। এ সময় কবির বিন আনোয়ার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের দোয়ারাবাজার উপজেলায় সুরমা নদীর ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় প্রকল্প প্রস্তুত তৈরির নির্দেশ দেন।

পরিদর্শন শেষে সচিব বলেন, প্রকল্প প্রস্তুত হলে এই উপজেলায় সুরমা নদীর ভাঙনরোধে দ্রুত কাজ হবে। উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন আশপাশের এলাকাটি রক্ষার জন্য আমরা ডিজাইন অনুযায়ী স্থায়ী রক্ষার জন্য প্রকল্প তৈরী করে আগামী অক্টোবর নভেম্বর মাসেই কাজ শুরু করব। কয়েক গ্রামের ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন এলাকাটি স্থায়ী ভাবে রক্ষার জন্য জরুরি ভিত্তিতে কিছু প্রকল্পের কাজ চলছে। স্থায়ীভাবে রক্ষার জন্য নদী খনন কাজ সহ বরাদ্ধ দেয়া হবে।

নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে সচিবের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী জুলফিকার আলী হাওলাদার, সিলেটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস এম শহীদুল ইসলাম, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ভুইয়া ও খুশি মোহন সরকার, দোয়ারবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক, দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মহুয়া মমতাজ, জেলা সহকারী কমিশনার (গোপনীয়) মঞ্জুরুল আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, সহ কারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম প্রমুখ ।