দুই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন নামঞ্জুর

ফাইল ছবি

ভুয়া জন্মদিন উদযাপন ও যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেওয়ার অভিযোগে পৃথক দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আহসান হাবিব ও খুরশেদ আলম এ আদেশ দেন।

গত ২১ জুন খালেদার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও জিয়া উদ্দিন জিয়া তাঁর জামিনের আবেদন করেন। এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

মুক্তিযুদ্ধকে ‘কলঙ্কিত’ করার অভিযোগে ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলা করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। আদালত ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।

২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক মশিউর রহমান (তদন্ত) অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার অন্য আসামি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যু হওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এর আগে, গতবছর ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নবী।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ভূয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে মামলাটি করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে খালেদাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। পরে ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়। এরপর থেকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ কারাগারে রয়েছেন তিনি। ওই মামলায় জামিন পেলেও অন্য মামলায় জামিন না পাওয়ায় মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি।