তাহলে কি পদ হারাবেন লেম্যান?

বল টেম্পারিং কান্ডে ইতিমধ্যে দলের অধিনায়ক ও সহ অধিনায়ক পদত্যাগ করেছেন। তদন্ত করছে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। খোদ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও সোচ্চার এই নিয়ে, দিয়েছেন একাধিক বিবৃতি। কিন্তু এখনো চুপচাপ অস্ট্রেলিয়া দলের কোচ ড্যারেন লেম্যান।

চাপে পড়ে কেপটাউন টেস্ট চলাকালীনই অধিনায়কের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন স্টিভ স্মিথ। স্মিথের মতোই সহ-অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ইতিমধ্যেই গোটা ক্রিকেট বিশ্বজুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়। এরই মাঝে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন ড্যারেন লেম্যান।

যদিও বল টেম্পারিং ঘটনার পর এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি কোচ লেম্যান। ২০১৯ সাল পর্যন্ত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সাথে চুক্তিবদ্ধ তিনি। তবে অনেকের ধারণা দেড় বছর আগে সরে যেতে হতে পারে ড্যারেন লেম্যানকে। সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক বল টেম্পারিংয়ের ঘটনা নিয়ে একটি টিভি সাক্ষাতকারে বলেন, “এ রকম সত্যি যদি ঘটে থাকে, তা হলে বলতে হয় গোটা দলের উপর অস্ট্রেলিয়ার হেড কোচের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই! আর যদি লেম্যান সবটা অবগত থাকেন, তা হলে অন্যদের মতো তিনিও সমান ভাবে দায়বদ্ধ।”

গত শনিবার অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার কেপটাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের ঘটনা ঘটে। টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যায়, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ক্যামেরন ব্যানক্রফট পকেট থেকে হলুদ রঙের টেপ-জাতীয় কিছু বের করে তা বলে ঘষছেন। পরে অধিনায়ক স্মিথ সংবাদ সম্মেলনে বল টেম্পারিংয়ের ঘটনা স্বীকার করে বলেন, দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা এই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত। তিনি অবশ্য সেদিনই জানিয়েছিলেন, কোচ লেম্যান ও অন্য কোচিং স্টাফরা ব্যাপারটির কিছুই জানতেন না।