জকিগঞ্জে ইমাম কর্তৃক ৩য় শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ

জকিগঞ্জের হাজারীচক গ্রামের ৩য় শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে হাজারীচক পশ্চিম জামে মসজিদের ইমাম হাসান আহমদ ওরফে আলী হোসেন। সে জকিগঞ্জ উপজেলার বারঠাকুরী ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের কুতুব আলীর ছেলে। এ ঘটনায় ধর্ষক হাসান আহমদ ওরফে আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার (১৫ জুলাই) বিকালে বিদ্যালয় ছুটির পর স্কুল ছাত্রীকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে মসজিদের বারান্দায় হুজরাতে নিয়ে যায় মসজিদের ইমাম। এক পর্যায়ে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে ধর্ষণ করে অচেতন অবস্থায় মেয়েটিকে খাটের নীচে লুকিয়ে রাখে। স্কুলছাত্রী বাড়ীতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাতে মসজিদের বারান্দায় হুজরা থেকে অচেতন অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা মসজিদের ইমাম হাসান আহমদ ওরফে আলী হোসেনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশ সোপর্দ করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জকিগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মুমিনুল ইসলাম জানান, সোমবার হাসান আহমদকে জকিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। পরে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ করেন।