ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজে শতভাগ পাশের রেকর্ড

সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবারও সিলেট শিক্ষাবোর্ডে শতভাগ পাশের রেকর্ড গড়লো জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজ।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানে ৫৩১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২৯৬ জন শিক্ষার্থী। ‘এ’ পেয়েছে ২২৫ জন। এ মাইনাস ৯ জন ও ১ জন পেয়েছে বি গ্রেড।

এছাড়া সিলেট শিক্ষা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ প্রাপ্তিও এ প্রতিষ্ঠানের দখলে।

প্রতিষ্ঠানের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অধ্যক্ষ লে. কর্ণেল শাখাওয়াত হোসেন। ভবিষ্যতেও এমন সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আরিফ সেলিম রেজার নেতৃত্বে ফলাফল প্রকাশের সময় উপস্থিত ছিলেন- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সচিব মেজর কামাল হোসেন।

এদিকে জেসিপিএসসি এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ তানভির আলম সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানিয়েছেন উত্তীর্ণদের। তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তিনি তাদের সাথে সংগঠনের হয়ে কাজের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এর আগে দুপুরে বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর পাশের হার ও জিপিএ-৫’এর পরিমাণ কমেছে। এবার ১০টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, যা গতবারের চেয়ে ২ দশমিক ২৭ শতাংশ কম। গতবার গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। এ বছর ১০ বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৭ জন। পাস করেছেন ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮০১ জন।

এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৯ হাজার ২৬২ জন। গতবার পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৯৬৯ জন। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ কমেছে ৮ হাজার ৭০৭ জন। এদিকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে পাশের হার ৬২ দশমিক ১১ শতাংশ। যা গতবছরের থেকে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ কম। গতবছর পাসের হার ছিলো ৭২ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৮৭৩ জন শিক্ষার্থী। যা গতবারের তুলনায় ১৭৩ টি বেশি। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৭০০ জন পরীক্ষার্থী।