কোস্টারিকাকে ১-০ গোলে হারালো সার্বিয়া

আলেক্সান্দার কোলারভের ফ্রিকিক থেকে করা দুর্দান্ত গোলে কোস্টারিকাকে ১-০ গোলে হারালো সার্বিয়া। গতবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা কোস্টারিকা হার দিয়ে শুরু করলো প্রথম দেখাতেই।

শুরুতেই দুই দলই ছিল আগ্রাসী। প্রথম ১৩ মিনিটে দুই দল দুটি করে সুযোগ তৈরি করে। ৩ মিনিটে সার্বিয়া প্রথমে কর্নার কিক বিপদমুক্ত করলেও অস্কার দুয়ার্তে বাঁ প্রান্ত থেকে বক্সের মাঝে থেকে জিয়ানকার্লো গনসালেসকে ক্রস দেন। কোস্টারিকার এই ডিফেন্ডার লাফিয়ে হেড করেছিলেন, কিন্তু বল সোজা চলে যায় গোলরক্ষক ভ্লাদিমির স্তোইকোভিচের হাতে।

৭ মিনিটে সার্বিয়ার আলেক্সান্দার কোলারভের বাঁ পায়ের শক্তিশালী শট গোলবারের পাশ দিয়ে চলে যায়। তবে প্রথমার্ধের সবচেয়ে সেরা সুযোগ পেয়েছিল কোস্টারিকা ১২ মিনিটে। কর্নার থেকে দাভিদ গুজমানের ক্রস থেকে বল পান ব্যাকপোস্টে সবার অলক্ষে থাকা গনসালেস। শুধু স্তোইকোভিচকে সামনে পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার হেড চলে যায় গোলবারের উপর দিয়ে। পরের মিনিটে মিত্রোভিচের ডান পায়ের জোরালো শট সোজা চলে যায় কোস্টারিকা গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের হাতে।

বিরতির আগে ৩৮ মিনিটে মার্কো উরেনার শট আবারও পোস্টের উপর দিয়ে চলে যায়। ৪২ মিনিটে কালভো সুযোগ নষ্ট করলে কোস্টারিকা স্কোরশিটে নাম লিখতে ব্যর্থ হয়। ৪৩ মিনিটে মিলিনকোভিচ সাভিচের দ্রুত গতির শট ঠেকিয়ে দিয়ে সার্বিয়াকে গোল বঞ্চিত করেন নাভাস।

দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে সার্বিয়া। সাভিচের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ানে মিত্রোভিচ নাভাস এগিয়ে যান ডিবক্সের দিকে। কিন্তু নাভাস সামনে এগিয়ে এসে বল আটকে দেন। যদিও তার হাত ফসকে বল বেরিয়ে গিয়েছিল। দুয়ার্তে ওই বিপদ সামাল দেন মাঠের বাইরে বল পাঠিয়ে। ৫ মিনিট পর মিত্রোভিচের হেড বারের পাশ দিয়ে চলে যায়। পরের মিনিটে গুজমান তাকে বক্সের বাইরে ফাউল করলে ফ্রিকিক পায় সার্বিয়া। কোলারভ নেন ওই কিক, কোস্টারিকার রক্ষণদেয়ালের উপর দিয়ে অসাধারণ শটে নাভাসকে পরাস্ত করে সার্বিয়াকে এগিয়ে দেন এই ফুল ব্যাক।

এই গোলই গড়ে দেয় ম্যাচের পার্থক্য। এই জয়ে ‘ই’ গ্রুপে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে থাকল সার্বিয়া।