কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর দফায় দফায় হামলা করেছে ছাত্রলীগ। সোমবার (২ জুলাই) সকাল থেকে বেশ কয়েকবার কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করলেও ছাত্রলীগের হামলায় এলাকা ছেড়েছেন আন্দোলনকারীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল পৌনে এগারোটার দিকে শহীদ মিনার এলাকায় জড়ো হয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা সমাবেশ শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর ছাত্রলীগের বিশ-পঁচিশজন কর্মী এসে সেখানে হামলা চালায়। হাজী মুহাম্মদ মহসিন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সানির অনুসারী কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মীকে কোটা আন্দোলনকারীদের পেটাতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে আবার সংঘটিত হয়ে সমাবেশ করা শুরু করলে আবারও শুরু হয় মারধর। আন্দোলনকারী নারীদের ওপরও চড়াও হয় হামলাকারীরা। ফারুক নামের এক আন্দোলনকারীকে চার-পাঁচজন ছাত্রলীগ চড় থাপ্পড় মারার সময় এক নারী বাঁচাতে এলে তার ওপরও হামলা করে ছাত্রলীগ কর্মীরা।

এ বিষয়ে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ন আহ্বায়ক লুৎফর নাহার নীলা বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে দফায় দফায় হামলা করেছে ছাত্রলীগ। নায্য অধিকার আদায়ের এ আন্দোলনে ছাত্রলীগ হামলা করে প্রমাণ করেছে তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নেই। ছাত্রলীগ দফায় দফায় হামলা করলেও পুলিশ ছিল নীরব।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে হাজী মুহাম্মদ মহসিন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সানি বলেন, কাউকে মারধর করা হয়নি। আন্দোলনের নামে তারা লাঠিসোটা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। আমরা তা প্রতিহত করেছি মাত্র।