কামরান-আসাদসহ কেন্দ্রে গেছে ৫ নেতার নাম

২২ জুন আওয়ামী লীগের প্রার্থীর নাম ঘোষণার সম্ভাবনা

সিলেটসহ তিন সিটিতে প্রার্থী মনোনয়নের ব্যাপারে আগামী ২২ জুন বৈঠকে বসবে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ড। ২২ জুনের এ বৈঠক থেকেই নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের জন্য হতে পারে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা। এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ।

এদিকে সিলেট সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চাইছেন ৫ নেতা। এরই মধ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ৫ নেতার নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রে নাম যাওয়া আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ হলেন- সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার আলোয়ার, আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক জাকির হোসেন এবং শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ। মনোনয়ন প্রত্যাশী এই ৫ নেতার মধ্য থেকেই যেকোন একজনকে মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড।

অপরদিকে দলে তাঁর সাধারণ সদস্যপদ না থাকলেও বিগত বছর দুয়েক থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম। এমনকি বুধবার (২০ জুন) তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পত্রও কিনেছেন। কিন্তু সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ থেকে কেন্দ্রে পাঠানো তালিকায় তাঁর নাম নেই।

নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে বেশ নড়েচড়ে বসছে আওয়ামী লীগ। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও এ নিয়ে আগামী ২২ জুন বৈঠকে বসবে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ড। সিলেট থেকে একাধিক নেতা নেতা মনোনয়ন চাওয়ায় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা নেতাদের কেন্দ্রে ডাকা হয়েছে। এ জন্যও জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ মিলিয়ে ৪০ জনের তালিকাও কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন- মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ।

এই ৪০ নেতার মধ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের ২৯ জন এবং জেলা আওয়ামী লীগ থেকে আছেন ১১ জন। সিলেট থেকে যাওয়া এই ৪০ নেতার সাথে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সরাসরি বৈঠকে বসতে পারেন। কিংবা প্রার্থী মনোনয়নে তাদের মতামতও নেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

কেন্দ্রে ডাক পাওয়া মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ হলেন- সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, সহ সভাপতি সিরাজ বক্স, এড. মফুর আলী, সিরাজুল ইসলাম, কয়েস গাজী, এড. রাজ উদ্দিন, আব্দুল খালিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার আলোয়ার, বিজিত চৌধুরী, জাকির হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. কিশোর কুমার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তপন মিত্র, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফাহিম আনোয়ার চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক এড. সামসুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আবদুর রহমান জামিল, বন ও পরিবেশ সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র দাস, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এড. সৈয়দ শামীম আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আজহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক দিবাকর ধর রাম, শ্রম সম্পাদক জুবের খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মিফতাহুল ইসলাম সুইট, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, এটিএম হাসান জেবুল, নুরুল ইসলাম পুতুল, উপ দপ্তর সম্পাদক বিধান কুমার সাহা ও উপ প্রচার সম্পাদক গোলাম চৌধুরী দিপন।

এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন- ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাড. লুৎফুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সহ সভাপতি আশফাক আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, অ্যাড. শাহ ফরিদ আহম্মদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নিজাম উদ্দিন, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, অ্যাড. নাসির উদ্দিন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন ইসলাম কামাল, অ্যাড. শাহ মশাহিদ আলী, মোহাম্মদ আলী দুলাল।