কামরানের বিরুদ্ধে আরিফের আরো দুই অভিযোগ

ফাইল ছবি

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের বিরুদ্ধে আবারও আচরণবিধি লঙ্ঘনের দু’টি অভিযোগ করেছেন বিএনপি মনোনীত ২০ দলীয় জোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।

সোমবার (২৩ জুলাই) আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর এই অভিযোগগুলো দেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ‘গত ২২ জুলাই সকাল থেকে নগরীতে রিকশায় করে একটি নৌকার প্রদর্শনী আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশ্যে নগরীতে বিশাল আকারের কাঠের তৈরী নৌকা নিয়ে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রদর্শনী করা স্থানীয় সরকার ও সিটি কর্পোরেশন আইন অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ।’

অপর আরো এক অভিযোগে ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, ‘২২ জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ও ৮টার দিকে নগরীর কুমারপাড়া ও সুবহানীঘাট পয়েন্টে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের সমর্থনে কুমারপাড়া ও সুবহানীঘাট পয়েন্টে মূল সড়কের মধ্যে স্ট্রেজ, পেন্ডেল ও মাইক ব্যবহার করে বিশাল জনসভার আয়োজন করে। এতে কুমারপাড়া পয়েন্টে ও সুবহানীঘাট পয়েন্টে যানজট লেগে জনসাধারনের চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়ে বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী বহনকারী এ্যাম্বুলেন্স। ‘

তিনি বলেন- স্থানীয় সরকার ও সিটি কর্পোরেশন আইন অনুযায়ী রাস্তা, সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সভা সমাবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া স্থানীয় সরকার ও সিটি কর্পোরেশন আইন অনুযায়ী রাত ৮টার মধ্যে সব ধরণের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকার কথা থাকলেও এ নির্দেশনা অমান্য করছেন তারা।

এসময় তিনি- গভীর রাত পর্যন্ত সরকারদলীয় মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের সমর্থনে এভাবে প্রতিদিন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন।

এদিকে বাগবাড়ী বর্ণমালা চত্তরের উপর আলোকসজ্জা সম্বলিত বিশাল আকারের নৌকা বসানো ছাড়াও নগরীর আনাচে-কানাচে কাভার্ডভ্যানে করে (গাড়ী নং- ঢাকা মেট্রো-ম- ১১-৪৪৩৯) আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের পক্ষে ডিজিটাল প্রচারণা করছে। যা স্থানীয় সরকার ও সিটি কর্পোরেশন আইন ভঙ্গ করার অপরাধ।

উপরোক্ত বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে এবং সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করেন আরিফুল হক চৌধুরী।

এর আগে রোববারও কামরানের বিরুদ্ধে আরো একটি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছিলেন আরিফ।