কামরানের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। বুধবার (২৫ জুলাই) নগরীর একটি রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স হলে ‘নির্বাচনী ইশতেহার ২০১৮’ ঘোষণা করেন কামরান।

কামরানের নির্বাচনী ইশতেহারটি নিম্নে তুলে ধরা হলো :
১. শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন এবং সিলেট নগরকে শতভাগ নিরক্ষতা মুক্ত করতে পদকেবষপ গ্রহণ করা হবে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশ্বমানের স্কুল, কওমি মাদ্রাসা ও ীশক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হবে। আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিতকরণে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজিয়েট স্কুল স্থাপন করা হবে। মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বৃত্তি চালু করা হবে। ভোলানন্দ নৈশ বিদ্যালয়কে কলেজে রুপান্তর করা হবে।
২. রোগ-বালাই মানব জীবনের সাতে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত। নগরের বিপুলসংখ্যক মানুষের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব। জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বিশ্বমানের নগর ক্লিনিক স্থাপন করা হবে। প্রতিমাসে ওয়ার্ড ভিত্তিক ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
৩. সিলেট শহরে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পুরো নগরে পাতাল বিদ্যুৎলাইন স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাহলে বিশ্বের আধুনিক শহরগুলোর মতো বিদ্যুৎবিভ্রাটে পড়তে হবেনা নগরবাসীকে।
৪. নগরকে যানজটমুক্ত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তৈরি করা হবে লিংক রোড। নগরের আভ্যন্তরীণ সকল রাস্তা প্রশস্তকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গড়ে তোলা হবে একাধিক স্ট্যান্ড। সেন্ট্রাল পার্কিংয়েরও ব্যবস্থা করা হবে। ট্রাফিক সিগনাল লাইট স্থাপন, ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ ফুটপাত প্রশস্তকরণ এবং জনসাধারণের স্বচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে হাঁটাচলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেইসঙ্গে আধুনিক ও বিশ্বমানের বাসস্ট্যান্ড ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মান করা হবে। উদ্যোগ নেয় হবে ফ্লাইওভার নির্মাণের। বিশ্বের অন্যান্য শহরের মত আলাদা সাইকেল লেন স্থাপনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
৫. ফুটপাথকে করা হবে হকারমুক্ত। হকারদের পুনর্বাসনের জন্য প্রতিষ্ঠা করা হবে চারটি হকার মার্কেট। বিশ্বের উন্নত শহরগুলোর মতো সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রাখা হবে বিশেষ মার্কেটের ব্যবস্থা। লালদিঘী মার্কেট ভেঙ্গে সেখানে নির্মাণ করা হবে বহুতল ভবন। এই ভবনে আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে স্বল্প আয়ের বিভিন্ন পেশাজীবীদের জন্য স্বল্পমূল্যে আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।
৬. জলাবদ্ধতা থেকে নগরবকাসীকে রেহাই দিতে অবৈধ দখলদারদের দখলে থাকা ছড়া এবং খালগুলো উদ্ধার করে খনন করা হবে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে নেওয়া হবে বিশেষ প্রকল্প। সুরমা নদী ড্রেজিং এখন সময়ের দাবি। এব্যাপারে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৭. গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় অনেকটা স্থবির হয়ে আছে আবাসন ব্যবসা। নতুন বাসাবাড়িতে গ্যাস সংযোগ না-থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। নগরে গ্যাস সংযোগ চালুর ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
৮. নগরবাসীকে শতভাগ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুরোনো ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট সংস্কার ও নতুন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে।

৯. নগরবাসীর যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নতকরার লক্ষ্যে চালু করা হবে আধুনিক নগর পরিবহণ। মহিলাদের জন্য থাকবে পৃথক পরিবহণ ব্যবস্থা। পাশাপাশি উভার, পাঠাওয়ের মতো সংস্থাগুলোর কার সার্ভিস চালুর ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
১০. পর্যটন নগর হিসেবে খ্যাত সিলেট নগরের পর্যটন স্পটগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষায়িত স্থাপনা নির্মাণ ও দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১১. বর্তমান কারাগারের স্থলে একটি আধুনিক নগরপার্ক প্রতিষ্ঠা করা হবে। যেখানে থাকবে সবুজের সমারোহ। যা হবে সিলেটের মানুষের নির্মল অক্সিজেন গ্রহণের অন্যতম স্থান। পাশাপাশি শিু কিশোরদের বিনোদনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন পার্কগুলোকে আধুনিকায়ন ও নতুন বিনোদনকেন্দ্র তৈরি করা হবে।
১২. টেমস নদীর দুই পারের আদলে সুরমা নদীর দুই পা আধুনিকায়ন করা হবে। তীর সংরক্ষণ এবং সৌন্দর্য বর্ধন করা হবে। যাতে নাগরিকরা বিকেলে একটু হাঁটাহাঁটির পাশাপাশি নির্মল বাতাস নিতে পারেন প্রাণভরে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৩. খেলার মাঠ, দিঘি আর টিলা যেগুলো এখনও টিকে আছে সেগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। সেই সঙ্গে নতুন মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।
১৪. সাংস্কৃতিক কর্মকা-কে বেগবান করতে তৈরি করা হবে একটি অত্যাধুনিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স। পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমূহকে যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হবে।
১৫. তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলায় সক্রিয় করা হবে। এজন্য মেয়র কাপ ফুটবল ও ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন ক্যারাম, দাবা, ভলিবল প্রভৃতি প্রতিযোগিতা চালু করা হবে। পাশাপাশি চিত্তোবিনোদনের ব্যবস্থাও করা হবে।
১৬. দক্ষ ও রপ্তানিমূখী জনশক্তি গড়ে তুলতে মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা ও উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সেজন্য প্রতিষ্ঠা করা হবে একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান। সিলেটের বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশনে বিশেষ ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে কাজের সুযোগ করে দেওয়া হবে।

১৭. শিশুনির্যাতন এবং শিশুহত্যা ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। বিকৃত মানসিকতা লালনকারীরা অবুঝ শিশুদেরকে তাদের শিকারে পরিণত করছে। তা রোধ করতে এবং শিশুদের সুরক্ষার জন্য অভিভাবকদের সচেতন করে তুলতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
১৮. নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাদেরকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে হাতে নেওয়া হবে বিশেষ প্রকল্প। নারীদের উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী বাজারজাতকরণের ব্যাপারে গ্রহণ করা হবে যথাযথ উদ্যোগ।
১৯. সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠিত না-হওয়ায় পরিকল্পিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নগরবাসী। হবে হচ্ছে বেড়াজালে আবদ্ধ থাকা ‘সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
২০. প্রবাসীদেরকে বিনোয়োগে আগ্রহী করতে তুলতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রবাসীরা যাতে হয়রানির শিকার না হন সেজন্য হেল্প ডেক্স চালু করা হবে।
২১. নগরকে গ্রিন সিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে শুরু করা হবে বৃক্ষরোপণ অভিযান।
২২. সিলেটকে পরিচ্ছন্ন নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২৭টি ওয়ার্ডের দৈনন্দিন মায়লা আবর্জনা যথাসময়ে অপসারণ করা হবে।
২৩. নগরে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাতের বেলা জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে সিলেট মহানগরের প্রতিটি সড়কে এলইডি লাইটপোস্ট স্থাপন করা হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডকে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
২৪. মহাজোট সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্র“তির অংশ হিসেবে সিলেটকে প্রথম ডিজিটাল নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে স্থাপন করা হবে আইসিটি পার্ক। সিলেট নগরকে ডিজিটাল নগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। নগরের বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনায় ফ্রি ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবস্থা করা হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে চালু করা হবে ই-তথ্য সেবাকেন্দ্র।
২৫. প্রতিটি ধর্মীয় উৎসবে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়সমূহে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। প্রতি রমজান মাসে সিটি কর্পোরেশনের মসজিদগুলোতে বয়স্কদের জন্য কোরআন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা হবে। যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।
২৬. নতুন কোনও কর আরোপ না করে নগরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধন করা হবে। যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হবে। ওয়ার্ডভিত্তিক উন্নয়ন কমিটি গঠনের মাধ্যমে নগরবাসীকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হবে।
২৭. মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থানের জন্য সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে স্বল্প মেয়াদি কম্পিউটারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
২৮. জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সিটি কর্পোরেশন প্রদত্ত সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে। জাতীয় দিবসগুলোতে তাঁদেরকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হবে। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হবে।
২৯. সিটি কর্পোরেশনের সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হবে।
৩০. মাদকের অভিশাপ থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাদকমুক্ত সিলেট নগর গড়ে তোলা হবে।
৩১. নগরীতে ভেজাল খাদ্য বিক্রয়ের পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে। শাকসবজি, মাছ-মাংস, ফলমূলসহ বিভিন্ন প্রকার খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক প্রয়োগের কারণে রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। ভেজালমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে যথাযথ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩২. নগরে বিশেষ অর্থনৈতিক জোন ও আধুনিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে। শিল্পে বিনিয়োগে প্রবাসীদের আকৃষ্ট করা হবে।
৩৩. প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে যথাযথ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নগরীতে বসবাসকারী সকল প্রতিবন্ধীকে বিদ্যমান সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।

ইশতেহার পাঠ শেষে কামরান উপস্থিত সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান। এসময় কামরান বলেন, এটা আমার জীবনের শেষ নির্বাচন, আগামী নির্বাচন পর্যন্ত আমি নাও থাকতে পারি। আমার বিশ্বাস এই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। তাই সকলে সহযোগিতা কামণা করছি। এসময় আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদের পরিচালনায় ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আহমদ, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান সিরাজ, সুজিত রায় নন্দী, আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, জেরা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশাক আহমদ, মোশাররফ হোসেন কাজল, ফয়জুল আনোয়ার, জাকির হোসেন, বিজিত দে, হুমায়ুন আহমেদ কামাল, শফিউল আলম নাদেল, জেবুল হাসান, এড. মশাহিদ আলী, এড. সামসুল ইসলাম, আজাদুর রহমান আজাদ, রনজিৎ সরকার, এড. নাসির, শাহরিয়ার কবির, আলম খান মুক্তি, মুশফিক জায়গীরদার প্রমুখ।