কানাইঘাটে চোরাইকৃত ৪টি গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ৮

কানাইঘাটে পৃথক অভিযানে ৭ গরু চোর সহ ৮ জনকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি চোরাইকৃত ৪টি গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার সন্ধ্যায় কানাইঘাট থানার এস.আই সনজিত রায় সঙ্গীয় ফোর্স সহ উপজেলার বড়চতুল ইউপির চতুল বাজার থেকে এলাকার চিহ্নিত গরু চোর দেলোয়ার ও আব্দুল গফুরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার দিঘীরপাড় পুর্ব ইউপির মৌনগর গ্রামের গরু চোর দলের মূল হুতা আব্দুস শহিদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২টি গরু ও মাঝর গ্রামের আব্দুর রহমানের বাড়ি থেকে আরো ২টি গরু উদ্ধার সহ আব্দুর রহমান ও আফতাব উদ্দিন নামের দুই চোরকে গ্রেফতার করেন।

একই ভাবে গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঐদিন ভোর রাতে সুরইঘাট সুইচ গেইটের কাছে গ্রেফতারকৃতের শ্বশুর বাড়ি থেকে মৌনগর গ্রামের আব্দুস শহিদকে গ্রেফতার করা হয়। আব্দুস শহিদের দেয়া তথ্য অসুযায়ী বাউরভাগ গ্রামের আব্দুস শহিদ ও মঈন উদ্দিন ময়নাকে আটক করা হয়।

এর মধ্যে ময়না চোর জানায় তার কাছে থাকা দুটি গরু সে জকিগঞ্জ এলাকায় ৫০ হাজার টাকা দামে বিক্রি করে দিয়েছে।

এদিকে গরু চোর সিন্ডিকেটকে গ্রেফতার করায় এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা জানান এই সিন্ডিকেট সিলেটের বিভিন্ন এলাকা সহ উপজেলায় গরু চুরি সহ নানা অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে রয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ মার্চ) গ্রেফতারকৃত এলাকার চিহ্নিত গরু চোরদের দেখার জন্য সকাল থেকে থানার আশপাশে সাধারণ জনতার ভিড় দেখা যায়।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আহাদ জানান, এই চোর সিন্ডিকেটকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ দীর্ঘদিন থেকে তৎপর ছিল। অবশেষে টানা দুদিন উপজেলা জুড়ে বিরামহীন অভিযান চালিয়ে তাদের দলের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং বিক্রিত দু’টি গরু উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

অপরদিকে গত জানুয়ারীতে র‌্যাবের দায়ের কৃত বিস্ফোরক মামলার পলাতক থাকা মূল আসামী বাউরভাগ ২য় খন্ড গ্রামের মৃত আব্দুল হকের পুত্র ফয়েজ উদ্দিনকে তার নিজ এলাকা থেকে মঙ্গলবার সকালে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।