ওসমানীতে কিশোরী ধর্ষণের সত্যতা মিলেছে

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (সিওমেক) কিশোরীকে ইন্টার্ন চিকিৎসক মাকামে মাহমুদ মাহী কর্তৃক ধর্ষণের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এখন ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষা করছে তারা। এদিকে, ওই ধর্ষণের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি আরো ১৫ দিন সময় চেয়েছে।

নগর পুলিশের কোতোয়ালী থানার এসআই আকবর ভুঁইয়া জানান, হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ওই কিশোরীর পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেখান থেকে যে রিপোর্ট এসেছে, তা পজেটিভ (প্রাথমিক প্রমাণ)। এখন সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষা। তাও ৩/৪ দিনের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে।

এদিকে, ১৫ জুলাই দিবাগত রাতে ওই কিশোরীকে ধর্ষণের পর ১৭ জুলাই পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অধ্যাপক ডা. এন কে সিনহাকে ওই কমিটির প্রধান করা হয়েছিল। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও তদন্ত শেষ করতে আরো ১৫ দিন সময় চেয়েছে তদন্ত কমিটি।

ওসমানী হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. দেবপদ রায় জানান, মঙ্গলবার হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মাহবুবুল হকের কাছে লিখিত আবেদনে কমিটির সদস্যরা সময় চান। অভিযুক্ত মাহী কারাগারে থাকায় তার সাথে কথা বলতে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন বলে কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুলাই দিবাগত রাতে অসুস্থ নানির সাথে হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৮নং ওয়ার্ডে ছিল ওই কিশোরী। গভীর রাতে ফাইল দেখার কথা বলে ওই কিশোরীকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন ইন্টার্ন চিকিৎসক মাকামে মাহমুদ মাহী। পরদিন সকালে কিশোরীর তার স্বজনদের বিষয়টি জানায়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মাহীকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মাহীর বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আটক মাহীকে কারাগারে পাঠান আদালত। মাহী ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মোখলেছুর রহমানের ছেলে।