এএটি’র আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে সিলেটের নুরুজ্জামান

কনফারেন্সে আবুল হায়াত নুরুজ্জামান (বাম থেকে দ্বিতীয়)

ব্রিটেনের একাউন্টিং সেক্টরের সবচেয়ে বড় সংগঠন এএটি‘র বার্ষিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য ছিলো ফিউচার একাউন্টস।

গত ৭ ও ৮ জুন লন্ডনের উইনসরের একটি অভিজাত হোটেলে দু’দিনব্যাপী এই আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমান উন্নত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে একাউন্টেন্সি পেশাকে কিভাবে বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল ও অধিকতর কার্যকরী করা যায় সেই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রেজেন্টেশন দেন সেমিনারের প্যানেল বক্তারা। কনফারেন্সের একটি গুরুত্বপূর্ন সেশনে প্যানেল বক্তা ছিলেন এএটির টেক্স পলিসি এডভাইজার ব্রায়েন পালমার, ফাইনান্স ট্রেনিং একাডেমির এন্ডি লোনেন, ভোডা ফোন গ্রুপের ফাইনান্স সিস্টেম এবং প্রসেসর বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টোফার আর্গেন্ট, জিরোর সেলস ডাইরেক্টর গ্লেন ফস্টার ও ইস্ট লন্ডনের তাজ একাউন্টসের স্বত্তাধিকারী আবুল হায়াত নুরুজ্জামান।

আবুল হায়াত নুরুজ্জামান একমাত্র ব্রিটিশ বাংলাদেশি ও সিলেটের কৃতি সন্তান যিনি এই কনফারেন্সের প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন। তিনি ২০১৭ সালে এএটি লাইসেন্স মেম্বার অফ দ্যা ইয়ার এওয়ার্ডে ভুষিত হন। এছাড়াও তরুন প্রজন্মের পেশাজীবিদের অনুপ্রেরনা ও উৎসাহ দিতে নুরুজ্জামানকে নিয়ে সম্প্রতি এএটির ম্যাগাজিনে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
বিশ্বের ৯০টি দেশের ১ লাখ ৪০ হাজার মেম্বার রয়েছে এএটির। একাউন্টেন্ট পেশায় জড়িতদের জ্ঞান, দক্ষতা ও অনুপ্রেরনা প্রদানের জন্য প্রতিবছর ডিজাইন করা হয় এই বিশ্বমানের কনফারেন্সে। একাউন্টেন্সি শিল্পের বিকাশ, ব্যবসায়ীদের সঠিক এবং নির্ভুল হিসেব রাখার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তাদের যথাযথ সেবা প্রদানের বিষয়টি গুরুত্ব পায় সেমিনারে। পেশাদার একাউন্টেন্টদের সাথে নেটওয়ার্কিং, ভবিষৎ একাউন্টিং শির্ক্ষাথীদের কি কি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে- তা আলোচনায় উঠে আসে। হিসাব সংরক্ষনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে দু‘দিনব্যাপী কী নোট উপস্থাপন করেন বক্তারা।