আ’লীগ নেতার বলাৎকারের ঘটনায় তোলপাড়

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়, শাস্তি দাবি

আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম মিফতার এর বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠার পর থেকে উপজেলা জুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ফেঞ্চুগঞ্জের এই বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করলেও থামছে না সমালোচনা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গতকাল থেকেই আলোচিত এই বলাৎকার ঘটনা। যে ঘটনায় নানা আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানান অনেকেই! অনেকেই তাকে রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে বয়কট করারও দাবি জানাচ্ছেন। আবার অনেকে এজন্য কড়া শাস্তিও দাবি করছেন।

কামাল আর রহমান নামের এক ব্যবহারকারী সংবাদের লিংকে এসে মন্তব্য করেন, “সমাজটা আজ কেমন জানি হয়ে গেছে। কিছু কিছু মানুষ আজ অমানুষ হয়ে গেছে। এইসব অমানুষদের কঠিন বিচার করা দরকার আর যেনো এদের মতো কোন অমানুষের জন্ম এই সমাজে না হয়।”

কাশেম জবুল কাজী নামের একজন মন্তব্য করেছেন, আগে আক্রান্ত হতো মেয়েরা, এখন যোগ হলো শিশু/কিশোররা। আইনের আওতায় না আসা পর্যন্ত এই পিশাচ, জাহিলদের হাত থেকে কেউ রক্ষা পাবে না।

নজরুল ইসলাম মিফতার ফেঞ্চুগঞ্জের শরীফগঞ্জ মশাহিদ আলী বালিকা মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি! গত কয়েক বছর থেকে এ পদে আসীন তিনি। মাদ্রাসার সভাপতির বেগতিক কুকর্মের প্রতিবাদ জানিয়ে তার পদত্যাগ দাবি করেন স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’জন শিক্ষক বলেন, উনার উপর অভিযোগ গুরুতর। অভিযোগ প্রমাণ হোক বা না হোক উনার উচিৎ এখনই মাদ্রাসার পদ ছেড়ে দেওয়া। মাদ্রাসাটা বালিকা মাদ্রাসা, এখন অভিভাবকরা শংকিত থাকবেন। শিক্ষা দানে ব্যাঘাত ঘটবে।

এ ছাড়া তাকে রাজনৈতিকভাবে বয়কট দাবি করেন স্থানীয় কয়েকজন রাজনীতিক। তাকে বহিষ্কার করে ফেঞ্চুগঞ্জ আওয়ামী লীগকে কলংকমুক্ত করার দাবি জানান তারা। কিন্তু দাবিকারীরা নাম প্রকাশে ভয় পাচ্ছেন কেন? উত্তরে বলেন, আমার শিশুদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বিকৃত মানসিকতার ব্যক্তিকে ভয় পাওয়াই স্বাভাবিক।