আইসিসির সূচিতে বাংলাদেশের ১৭৫ ম্যাচ

আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ খেলবে ৪৫টি টেস্ট। ওয়ানডে খেলবে কমপক্ষে ৭২টি। আর টি-টোয়েন্টি খেলবে অন্তত ৫৮টি। দ্বিপক্ষীয়-ত্রিদেশীয় সিরিজের সঙ্গে বাংলাদেশের সুযোগ থাকছে এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টেও খেলার।

বাংলাদেশ ২৪টি টেস্ট খেলবে বিদেশের মাটিতে, বাকি ২১টি খেলবে দেশে। ওয়ানডে খেলবে দেশের বাইরে ৪৫টি আর ঘরের মাঠে ২৭টি। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি হবে ৩৪টি বিদেশের মাটিতে আর ২৪টি দেশে।

২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রতিটি দলের সফরসূচি (এফটিপি) ঘোষণা করেছে আইসিসি। সেই এফটিফি থেকে জানা গেছে বাংলাদেশের আগামী পাঁচ বছরের খেলার হিসেব। আরও জানা গেছে আগামী বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের ভারত সফরের কথাও।

সূচিতে দেখা যায়, ২০১৮ জুলাই থেকে ২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে বাংলাদেশ খেলবে ১৬২ ম্যাচ ও ৭টি টুর্নামেন্ট।

এফটিপিতে বাংলাদেশের যে আটটি সফরের কথা বলা হয়েছে, তার পাঁচটিই বিদেশের মাটিতে। এর মধ্যে আছে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় ২০১৯ বিশ্বকাপও। আগামী বছরের নভেম্বরে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে ২টি টেস্ট খেলতে ভারতে যাবে বাংলাদেশ। সঙ্গে ৩টি টি-টোয়েন্টিও খেলবে তারা।

২০২০ সালেও বাংলাদেশকে বেশির ভাগ সিরিজ খেলতে হবে বিদেশের মাটিতে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অক্টোবরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার আগে সেপ্টেম্বরে আছে এশিয়া কাপও।

সফরসূচি দেখলে বোঝা যাবে, বাংলাদেশের খেলা অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব-তামিমদের অনেক ব্যস্ততা যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে চ্যালেঞ্জও। বেশির ভাগ ম্যাচই বিদেশের মাটিতে, অপরিচিত কন্ডিশনে।

এই ব্যস্ত সূচি শুরু হচ্ছে আগামী মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর দিয়ে। ক্যারিবীয় সফরের পরই আরব আমিরাতে এশিয়া কাপ। ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।