অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েও পেরুর বিদায়

গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে পেরু। তবে এই জয়ে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হয়নি পেরুর। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে দুই দলেরই।

পেরু জিতে বিদায় নিলেও সকারুদের জন্য সুখকর হলো না বিদায়। ৩৮ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ান তারকা টিম কাহিলকে ফিরতে হলো ১ম রাউন্ড থেকেই। চারবার বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলেন কাহিল, দলও পারেনি প্রত্যাশা মেটাতে।

অবশ্য ম্যাচের শুরুতে আক্রমণে এগিয়ে ছিল সকারুরা। তবে ক্রমেই ডিফেন্স সামলে আক্রমনে ধার বাড়ায় আগের দুই ম্যাচে দুর্দান্ত খেলা পেরুভিয়ান আক্রমণভাগ। ম্যাচের মাত্র ১৮ মিনিটের মাথায় সকারুদের অফ সাইডের ফাঁদ ভেঙে ডি বক্সের কাছে পৌঁছে যান পেরুভিয়ান অধিনায়ক পাওলো গেরেরো। দারুণ ভলিতে বল সামলে কঠিন কোণ থেকে শট নেন কারিয়ো। তার অসাধারণ এক গোলে এগিয়ে যায় পেরু।

রাশিয়া বিশ্বকাপে এটি পেরুর প্রথম গোল। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে পোল্যান্ডের বিপক্ষে ৫-১ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে গুইয়েরমো লা রোসার পর এই প্রথম বিশ্বকাপে পেরুর হয়ে গোলের দেখা পান কারিয়ো।

গোল খেয়ে আক্রমণের ধার বাড়ায় অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু প্রথমার্ধে আর কোন গোল হয়নি। বরং দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিট পার হতেই আবারও গোলের দেখা পায় পেরু। এবার গোলদাতা দলটির অধিনায়ক পাওলো গেরেরো। বাম দিক থেকে আক্রমণ সাজিয়ে কাট ব্যাক করে সকারু মিডফিল্ডার মিলে জেদিনাককে বোকা বানিয়ে বল পেয়ে গোলবারের কাছ থেকে শট নিয়ে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেলেন পেরুভিয়ান অধিনায়ক।

এর পর আর গোল না হওয়ায় ২-০ গোলের জয় নিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শেষ করে পেরু। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন পেরুর আন্দ্রে কারিয়ো।

এদিন গ্রুপ ‘সি’র আরেক ম্যাচে জয় পায়নি ফ্রান্স-ডেনমার্কের কেউই। ফলে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে পেরু ও অস্ট্রেলিয়ার। আর শেষ ষোলোতে উঠে গেছে ফ্রান্স ও ডেনমার্ক।