অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন রাহুল গান্ধী

ভারতের কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে বহনকারী একটি বিমানে হঠাৎ ত্রুটি দেখা দেয়। শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) সকালে ছোট ফ্যালকন জেট বিমানটির অন্যতম যাত্রী ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে অল্পের জন্য বড় ধরণের দুর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষ পেয়ে নির্বিঘ্নেই দিল্লি থেকে কর্নাটকের হুগলি বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন তিনি।

যে বিমানে ছিলেন রাহুল, সেই বিমানের গুরুতর যান্ত্রিক ত্রুটির খবর সামনে আসার পর ভারত জুড়ে তোলপাড় শুর হয়েছে। এটা ‘পরিকল্পিত’‌ কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী নিজেও সরাসরি চক্রান্তের কথা বলেছেন। ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। মোদি কথা বলেছেন রাহুলের সঙ্গে।

তিনবারের চেষ্টায় হুগলিতে নামে বিমানটি। বিমানটিতে কংগ্রেস সভাপতিসহ ছিলেন পাঁচজন। ডিজিসিএ জানিয়েছে, “অটো–পাইলট ব্যবস্থায় সমস্যা হওয়ায় ‘ম্যানুয়াল’ মোডে নিরাপদ অবতরণ করেছেন পাইলট। এই ধরণের ঘটনা ‘অস্বাভাবিক নয়’।’”

কিন্তু এমন ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেন, “এসপিজির নিরাপত্তা পাওয়া কোনও ব্যক্তির উড়ানের আগে পাইলট এবং বিমান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়া হয় ডিজিসিএ এবং এসপিজির কাছে। তারা ছাড়পত্র দিলেই উড়ান পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়। আমাদের আশা, কর্ণাটক পুলিস এবং ডিজিসিএ–র ডিজিরা তদন্ত করে জানাবেন, এই ঘটনায় কোনও ব্যক্তির হাত ছিল কি না।”

বিধানসভা ভোটের প্রচারে শুক্রবার সকাল ৯টা ২০ নাগাদ হুবলি রওনা হন রাহুল। আবহাওয়া ভালই ছিল। পৌনে ১১টা নাগাদ দেখা দেয় বিমানে গণ্ডগোল। সুরজেওয়ালা জানিয়েছেন, জোরালো একটা শব্দের পরে অটো পাইলট বিকল হয়ে নীচে পড়তে থাকে রাহুলের বিমান।

কর্ণাটকের ডিজি ও আইজির কাছে লিখিত অভিযোগে রাহুলের সহযোগী কৌশল বিদ্যার্থী বলেছেন, এমন কোনও প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, যার ব্যাখ্যা মেলেনি। কৌশল বলেন, “সকলের প্রাণ যেতে বসেছিল। কিন্তু রাহুল আগাগোড়া ধৈর্য রেখে পাইলটের পাশে ছিলেন। যাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়।”